আলাদা চারটি রিটে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রবিবার এ রায় দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনতাসীর উদ্দিন আহমেদ।
আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, ‘এই রায়ের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী নিয়োগ প্রার্থীরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। আশা করছি কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে রায় বাস্তবায়ন করতে রিটকারীদের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করবেন।
তবে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে জানিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আইনজীবী মুনতাসীর উদ্দিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও এসব প্রার্থীরা মৌখিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছিলেন। তাছাড়া প্রতিবন্ধী কোটায় যারা পরীক্ষা দিয়েছিলেন এবং তাদের মধ্য থেকে যারা লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ করেছেন তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে।’
Leave a Reply